আমার দৃষ্টিকোণে-৪

গার্মেন্টস টেক্সটাইল মালিকরা বলল তাদের সাথে দেশের অর্থনীতি জড়িত তাই তাদের খোলা রাখতে হবে সাথে সাথে ব্যাংকও।সাস্থ্যখাত তো খোলা রাখতেই হবে।জরুরী প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, অধিদপ্তরের বিশেষ সেকশন খোলা রাখা হবে।আইনশৃংখলা বজায় রাখার জন্য সকল বাহিনী ছুটির আওতামুক্ত।জরুরি প্রয়োজনে রিকশা চলবে, ট্রাক চলবে, নিজস্ব পরিবহন চলবে ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের আনা নেয়ার জন্য। গণমাধ্যমতো পুরোটাই লকডাউনের আওতামুক্ত, দেশের বড় বড় কোম্পানিগুলোই আবার কোন না কোন গণমাধ্যমের মালিক সেহেতু তাদের সবই চলবে।প্রয়োজনে বাজারও চলবে এমনকি আইজিপি মহোদয় বলল যে, অপ্রয়োজনে বের হওয়া যাবে না। তার মানে হল প্রয়োজনে বের হওয়া যাবে।তাহলে সমস্যা শুধু ছাত্র ও শিক্ষকদের বেলায় ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলবে না!!আর আমাদের কোম্পানির লিফট! কোম্পানির সব চলে কিন্তু লিফট চলে না!এমনকি প্রতি রাতে অনেকে একসাথে জড়ো হয়ে টিভিতে ফুটবল খেলা দেখলেও লকডাউনের পবিত্রতা নষ্ট হবে না। নষ্ট হবে শুধু ছাত্ররা পড়াশোনা করলে! সুতরাং পড়াশোনা অপবিত্র!?

৩০/০৬/২১

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *