আমার দৃষ্টিকোণে-৩

অভিমানের ঘোর ভেঙে আবু ত্বোহা ঘরে ফিরে এসেছে আলহামদুলিল্লাহ, আশা করি উনার স্ত্রী’রাও মাশাল্লাহ খুব খুশি হয়েছেন।তেমনি খুশি হয়েছেন সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ। ত্বহার নতুন ভিডিও কবে আসবে? কেউ আমাকে একটু নক দিয়েন। বেঁচে থাকলে ভিডিওটা দেখব ইনশাআল্লাহ। মরে গিয়েও বেঁচে আছেন পাহাড়ের নও মুসলিম শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরা। কারন শহীদেরা মরে না।শহীদের নামে মসজিদের নির্মানকাজ এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু নির্মানকাজ শেষ না হতেই পদ্মা সেতুতে পরপর দুজন ভারতীয় নাগরিক ধরা পরছে সেনাবাহিনীর হাতে।কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই বিয়াইদের পুলিশ হেফাজতে দেয়া হল কেন আমার বুজে আসল না।এসব না বুঝলেও এটা বুজেছি যে, লকডাউনে বা শাট ডাউনে সেনাবাহিনীর সাথে পুলিশ থাকবে না, বরং পুলিশের সাথে সেনাবাহিনী থাকবে। কারন পুলিশই চোরের বন্ধু ওহ না শত্রু।।শত্রু মিত্র বুঝি না, মোবাইলে ৫ মিনিটের বেশি কথা বললেই কর দিতে হবে বলে জানিয়েছেন যুগান্তর অনলাইন। তাই যাদের প্রেম-পিরিতির অভ্যাস আছে তারা এখন থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত সীমিত আকারে করুন।ইদের পর কঠোর আন্দোলনে নামুন এসব মানা যায় না!!ওদিকে বেগম জিয়াও সুস্থ হয়ে ইদের আগেই বাড়ি ফিরেছেন। জাফরুল্লাহ সাহেবও বারবার জনাব তারেক রহমানকে পড়াশোনার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। ভালোকথা তবে সেটা বারবার পাবলিক প্লেসে কেন? উনি একজন রাজনীতিবিদ, মজলুম জননেতা, সময়ের জনপ্রিয় জাতীয় নেতা, উনার ব্যাপারে কথা বলতে গেলে একটু অন্যভাবেও বলা যেত।।যাই বলছে তাতে কিছু বেয়াদব ফালাফালি করলেও জাফরুল্লাহ সাহেবের কিছু যায় আসে না।।আমারও কিছু যায় আসে না , সীমিত বা কঠোর, লকডাউন বা শাট ডাউনে। কারন হল জরুরি ভিত্তিতে একটু বেশি খরচে সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলাকে লকডাউন বা শাট ডাউন বলে।।যেটাই বলি না কেন, স্বচ্ছল মানুষদের আবারো বলি লকডাউন একটি পবিত্র কর্ম। সুতরাং লকডাউনের পবিত্রতা রক্ষা করুন।অস্বচ্ছল মানুষদের অনুরোধ বিশৃঙ্খলা করবেন না, হতাশ হবেন না, রিজিকের মালিক মহান আল্লাহ। ধৈর্য ধরে কাজ খুঁজুন, এসবের মধ্যেও অনেক কাজ চলমান থাকবে। অবসরপ্রাপ্ত ছাত্রদের উদ্দেশ্যে কিছু হেদায়েতি আবেদন, তোমরা এটাকে সুযোগ হিসেবে ধরে নিতে পার।১. কুরআন শরীফ শিখে ফেলো।২. প্রযুক্তির সঠিক ব্যাবহার করে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পার।৩. অনলাইনে প্রচুর ট্রেনিং করানো হচ্ছে একাডেমিক ও এক্সটা কারিকুলামের ওগুলো থেকেও চয়েজ করতে পার। তোমরা জেনে রাখ আগামীর পৃথিবীতে অশিক্ষিত, অদক্ষ নাগরিকদের বেঁচে থাকারই কোন অধিকার থাকবে না।৪. গান শিখতে পার, প্রচুর বই পড়তে পারো, এমনকি একই পড়া বারবার পড়তে পারো যা তোমাকে আরো পরিপক্ষ করবে।৫. বাসায় বাবা মা’কে কাজে সহায়তা করতে পারো।৬. অযাথা গেম খেলা, বন্ধুদের সাথে বাজে আড্ডা অতিরিক্ত ফেসবুকিং বাদ দিতে হবে নিশ্চয়ই। ৬. নিয়মিত ব্যায়াম করতে পারো।সুতরাং লকডাউনের পবিত্রতা তোমাদেরই বেশি পালন করা উচিত।

২৭/০৬/২০২১