আমার দৃষ্টিকোণে – ১

এই মডেল মসজিদগুলো না বানিয়ে জাকের পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ড. সায়েম আমির ফয়সালের নেতৃত্বে একটি প্রকল্পে ইনভেস্ট করলে ভালো হত।।এখন যেহেতু করা হয়েছে, সেহেতু প্রত্যেকটি মসজিদে জাতীয় ওলামা লীগ, কওমী লীগ ও সাবেক ছাত্রলীগ যারা দূর্নীতির দ্বায়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মাধ্যমে পদ হারিয়েছেন লাইক- গোলাম রাব্বানী ভাইয়া,শোভন ও চট্টগ্রামের নুরুল আজিমের মত নেতাদের খতিবের দায়িত্ব দেয়া উচিত।কারন উনারা পদ হারিয়েও লীগের পক্ষে আছেন, আর লীগ যেহেতু ইসলাম প্রচারে ব্যাপক কর্মসুচি হাতে নিয়েছেন তাই উনাদের আমার যোগ্য মনে হচ্ছে।। আমার জানা মতে এসব প্রজেক্টের সাথে ইতোমধ্যে ডক্টর আবু রেজা নদভী দাঃবাঃ আগে থেকেই জড়িত আছেন । এতে আমাদের জননেত্রী ও কওমী জননী মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ইসলাম প্রচারের কাজ আরো প্রচন্ডভাবে এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।। উদ্বোধনকালের কিছু ছবি নিয়ে হেফাজতি,চরমোনাই ও জামাত পন্থী অনেকে সমালোচনায় লিপ্ত কেন রে ভাই? উদ্বোধনকালের ছবিগুলোতে আমি স্রেফ ইসলাম প্রচারে ডিজিটালাইজেশন ছাড়া আর কিছু দেখি না!আরো দেখব, ঐ মসজিদ গুলোতে ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও আছে লাইব্রেরি আছে তাতে গবেষণা হবে প্রচুর গবেষণা হবে।পয়েন্ট অব নোট-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইদানিং ইসলাম প্রচারে বিশেষভাবে মনোনিবেশ করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। ★ মডেল মসজিদ নির্মান★ দ্বীনি আলোচনা যেমন – মানুষ হত্যা করে বেহেশতে যাওয়া যায় না __ শেখ হাসিনা। ইত্যাদি ইত্যাদি